জোর করে বা শিকার হয়ে বিপদে পরে শিরক বা কুফুরী করে ফেলে,
তাৎক্ষণিক আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়,
"ইনশাআল্লাহ" গুনা হবে না,
আল্লাহ পাক মাফ করে দিবেন,
কাউকে যদি অস্ত্রের মুখে জোর পূর্বক শিরক-কুফুরী বা অন্য কোন ধরণে গুনাহের কাজ করা হয় তাহলে তার অন্তর যদি আল্লাহ প্রতি পূর্ণ ঈমানের উপর বলবত থাকে এবং আন্তরিকভাবে উক্ত কাজটি ঘৃণা করে তাহলে শরীয়তের দৃষ্টিতে সে মার্জনীয়- এতে করে সে কাফির,
মুশরিক বা গুনাহগার হবে না।
এ মর্মে আল্লাহ তাআলা বলেন:
مَن كَفَرَ بِاللَّـهِ مِن بَعْدِ إِيمَانِهِ إِلَّا مَنْ أُكْرِهَ وَقَلْبُهُ مُطْمَئِنٌّ بِالْإِيمَانِ وَلَـٰكِن مَّن شَرَحَ بِالْكُفْرِ صَدْرًا فَعَلَيْهِمْ غَضَبٌ مِّنَ اللَّـهِ وَلَهُمْ عَذَابٌ عَظِيمٌ
“যার উপর জবরদস্তি করা হয় এবং তার অন্তর বিশ্বাসে অটল থাকে সে ব্যতীত যে কেউ বিশ্বাসী হওয়ার পর আল্লাহতে অবিশ্বাসী হয় এবং কুফরির জন্য মন উন্মুক্ত করে দেয় তাদের উপর আপতিত হবে আল্লাহর গযব এবং তাদের জন্যে রয়েছে শাস্তি।”
(সূরা আন নহল: ১০৬)
হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
عُفِيَ لأمَّتي عن الخطأِ والنِّسيانِ وما استُكرِهوا عليهِ
" আমার উম্মতের হঠাৎ ঘটে যাওয়া ভুল,
স্মরণ না থাকার কারণে ঘটে যাওয়া অন্যায় এবং জোরজবরদস্তি করে কৃত অপরাধকে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে।”
(ইবনে হাযম রা. রচিত আল মুহাল্লা, তিনি এটিকে সহীহ বলেছেন)