কাযা নামাযের নিয়ম:
ঘুম বা ভুলে যাওয়ার কারণে কারো নামায ছুটে গেলে তার করণীয় হল, ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া বা স্বরণ হওয়ার সাথে সাথে তা কাযা করে নেয়া। তাহলে এতে কোন গুনাহ হবে না। কিন্তু স্বরণ আসা বা ঘুম ভাঙ্গার পর কাযা করতে বিলম্ব করলে গুনাহ হবে। যেমন নিম্নোক্ত হাদীসটি:
عَن أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم قَالَ مَنْ نَسِىَ صَلاَةً فَلْيُصَلِّهَا إِذَا ذَكَرَهَا لاَ كَفَّارَةَ لَهَا إِلاَّ ذَلِكَ
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আনাস (রাঃ) কর্তৃক অন্য এক বর্ণনায় আছে, “যে ব্যক্তি কোন নামায পড়তে ভুলে যায়, সে যেন তা স্মরণ হওয়া মাত্র পড়ে নেয়।
(এই কাযা আদায় করা ছাড়া) এর জন্য আর অন্য কোন কাফ্ফারা (প্রায়শ্চিত্ত) নেই।”
(বুখারী ৫৯৭, মুসলিম ১৫৯৮, মিশকাত ৬০৩নং
- অনুরূপভাবে কোন ব্যক্তি যদি বিনা ওযরেও ইচ্ছাকৃতভাবে নামায ছেড়ে দেয় তাহলে আল্লাহর নিকট তওবা করবে এবং উক্ত নামায কাযা করবে অন্যথায় তার জিম্মা থেকে মুক্ত হবে না।
(যদিও এ বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে তবুও কাযা করে নেয়াই অধিক নিরাপদ)
- একাধিক নামায ছুটলে আগেরটা আগে পরেরটা পরে- এই পদ্ধতিতে ধারাবাহিকভাবে নামায আদায় করবে।
- ফরযের পাশাপাশি সুন্নতে রাতেবাগুলোও পড়ার চেষ্টা করবে।
- কাযা নামায নিষিদ্ধ সময়েও পড়া যাবে।
আল্লাহু আলাম