সম্মানিত ৪টি মাস: ~~

সম্মানিত ৪টি মাস:
~~~
সম্মানিত ৪মাসের অন্যতম যিলকাদ মাস। কুরআনে কারীমের সুরা তাওবার ৩৬ নং আয়াতে ৪টি মাসকে বিশেষ সম্মানিত বলে অভিহিত করেছেন আল্লাহ তা’আলা।
তম্মধ্যে ধারাবাহিক তিন মাসের প্রথমটি হলো যিলকাদ।
বোখারীর বর্ণনামতে অপর মাসগুলো হলো, যিলহাজ্জ, মুহাররাম ও রজব।

আমাদের সমাজে রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলো কিনা,
সে খবর নিয়ে যতোটা ব্যস্ততা ও ব্যকুলতা দেখা যায়,
সম্মানিত মাসগুলোর বেলায় তার বিন্দু মাত্র আগ্রহও দেখা যায় না!
রবিউল আউয়াল মাসের ব্যপারে আল্লাহর বানী কুরআন কিংবা রাসুলের বানী হাদীসে কোন বিশেষ মর্যাদা বর্ণিত হয় নি।

অথচ যে মাস সমুহের মর্যাদা বিস্তারিতভাবে স্বয়ং আল্লাহ তা’আলা বর্ণনা করেছেন, সেসব মাস কখন আসে আর কখন যায় -এমনকি কোন্ কোন্ মাস সম্মানিত মাসের তালিকায়-সে ধারণাটুকুও সমাজের বেশিরভাগ মুসলিমের নেই!!!

সম্মানিতমাসে একজন মুসলিমের জন্য ৪টি বিশেষ করণীয় রয়েছে।
যথা:-

{১} (পাপাচারের মাধ্যমে) নিজের প্রতি অত্যাচার না করা। (অর্থাত এ বিষয়ে বিশেষভাবে যত্নবান হওয়া) -সুরা তাওবা ৩৬

{২} যুদ্ধ-বিগ্রহ পরিহার করা।-বাক্বারা ২১৭ (ঝগড়া-বিবাদকেও এর আওতায় ধরা যায়)

{৩} সম্মানিত মাসের মধ্যে যিলহাজ্জ মাসে আরাফার দিনের রোজা সহ ১-৯ যিলহাজ্জ পর্যন্ত অধিক পরিমাণে নফল রোযা রাখা ।
(মুসলিম)। যিলহাজ্জের ১০ দিনে বেশি বেশি তাসবিহ তাহলীল পাঠ ও অন্যান্য নফল ইবাদত বেশি করে করা।
এছাড়া মুহররম মাসে আশুরার  রোজা রাখা।

{৪} সম্মানিত মাসের সার্বিক সম্মান বজায় রাখা, যথা নিয়মিত আমল সমুহের ব্যপারে বিশেষভাবে যত্নবান হওয়া। (তবে সম্মানিত মাস উপলক্ষে যিলকাদ ও রজবে বিশেষ কোন ভিন্ন আমল নেই)।

আসুন, সম্মানিত মাস যিলকাদে হতেই উপরিউক্ত বিশেষ কর্মসূচী সমুহ বাস্তবায়নের প্রতি মনোযোগ দেই।

সম্মানিত মাসের কোন নির্দেশনা বিশেষভাবে পালন করতে না পারলেও কমপক্ষে চলমান মাসটি যে আল্লাহর দৃষ্টিতে বিশেষভাবে সম্মানিত,
সে কথা দৈনিক কয়েকবার করে চিন্তা করতে থাকি।
তাতেই এক সময় সম্মানিত মাসের সম্মান রক্ষা করা সহজ হবে ইনশাআল্লাহ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

যোগাযোগ ফর্ম